1. admin@dainiknabadiganterdak.com : admin :
  2. nabadiganterdak@gmail.com : Md Sabbir : Md Sabbir
বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শিক্ষা সেমিনার জুম প্লাটফর্মের শুভ উদ্ভোধন হরিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন পালন হরিপুরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে রাণীশংকৈলে আনন্দ র‍্যালী ও মিলাদ মাহ্ফিল পীরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উদযাপন প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের র‌্যালি,মিলাত ও দোয়া অনুষ্ঠিত মিথ্যা অভিযোগ করায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন – বেলাল উদ্দিন ঠাকুরগাঁওয়ের জঙ্গলে মিলল যুবকের গলাকাটা লাশ প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে কটূক্তি করায় ভুরুঙ্গামারীতে একজনকে থানায় সোপর্দ পঞ্চগড়ে বজ্রপাতে এক যুবকের মুত্যু, আহত ৪

জীবনে সফলতা আনার কৌশল (পর্ব ৫)

🖌️এম আব্দুল মজিদ মারুফ
  • সময় : শুক্রবার, ২৭ আগস্ট, ২০২১
  • ১৫৬ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

গতপর্বে আমি বলেছিলাম আত্মসমালোচনা করার পদ্ধতি তিনটি। প্রথমত কাজ ভিত্তিক আত্মসমালোচনা আর সেটির পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। আজকের আলোচনা হবে আত্মসমালোচনা করার দ্বিতীয় পদ্ধতি সার্বজনীন পদ্ধতি নিয়ে।

 

♥️🔷 সার্বজনিন আত্মসমালোচনা

 

সার্বজনিন আত্মসমালোচনা এটি আত্মসমালোচনা করার দ্বিতীয় পদ্ধতি এবং সু প্রষিদ্ধ ও প্রচলিত পদ্ধতি । এই পদ্ধতি প্রায় সকলেই জানি কিন্তু আবার অনেকে ভুলে যাই। আবার অনেকের ক্ষেত্রেই এমন হয় যে আত্মসমালোচনা পদ্ধতি জানেন কিন্তু এই পদ্ধতিতে আত্মসমালোচনা করতেও ভুলে যায় তাই স্মরণ করিয়ে দিতে আবার নিয়ে আসা হলো এখানে।

এই পদ্ধতি তে আত্মসমালোচনা করতে হয় দিনের কোন বিশেষ মুহুর্তে। এটি সম্পর্কে বিস্তারিত বলার কিছু নেই যেহেতু এটি সম্পর্কে অনেকেই জানি তাই সংক্ষিপ্ত ভাবে আমরা এখন এই সার্বজনিন আত্মসমালোচনা করার পদ্ধতি জানবো।

 

সার্বজনিন আত্মসমালোচনা করার পদ্ধতি

এ পদ্ধতিতে আত্মসমালোচনা করার জন্য আমাদের কয়েকটি ধাপের অনুসরণ একান্ত কর্তব্য। আর তা হলো

 

১. সময় নির্বাচনঃ সফলভাবে কোন কাজ করার জন্য রুটিন অবশ্যই প্রয়োজন। আর সেই জন্য আত্মসমালোচনা করার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সময় ঠিক করতে হবে। সময় ঠিক করার ক্ষেত্রে ইসলামি ইঙ্গিতের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে সেই সাথে মন মস্তিষ্কের প্রতিও বিশেষ নজর রাখতে হবে। সেই হিসাবে কিছু উত্তম সময় হলো ফজর এর পূর্বে বা পরে, ঈশার পর ও ঘুমানোর সময়। তবে আমার মতে সর্বোত্তম সময় হলো ঘুমানোর পূর্বে কারন তখন সারাদিন এর কাজ কর্ম চিন্তা করার সুযোগ থাকে। সময় নির্বাচিত হয়ে গেলে পরবর্তী ধাপ।

 

২. আল্লাহকে হাজির নাজির জানা এবং নির্দিষ্ট স্থানে বসা। নির্দিষ্ট স্থান বলতে একটা যায়গাই নিয়মিত এমন নয় তবে জায়গাটা নিরিবিলি হলে ভালো। আল্লাহর রসূল সা. এর হাদীসের আলোকে বলতে গেলে ইবাদতের পদ্ধতি তো সেটাই যেখানে বান্দা মনে করবে আল্লাহ তাকে দেখছেন আর এটা মনে করেই ইবাদত করতে হবে। তেমনি এভাবেই আল্লাহকে সরাসরি হাজির নাজির মনে করেই আত্মসমালোচনা করতে বসতে হবে। এটা এই জন্যই যে আত্মসমালোচনা করার সময় নিজের প্রতি কোন কিছু গোপন না করে যেন সমস্ত কাজের বিচার নিজেই করে কারন আল্লাহ পাক তো দেখতেছেন।

 

৩. সারা দিনের কর্মবস্ততা স্মরন করা। সারাদিন এর কাজ ঘুমানোর পূর্বে অবশ্যই চোখের সামনে ভেসে আসবে সেই আলোকে চিন্তা করা। ভালো কাজের শুকরিয়া, খারাপ কাজের জন্য তওবা করা। এই তওবা হতে হবে খাটি তওবা।

সৎ কাজ চালিয়ে যেতে সংকল্প বদ্ধ হওয়া আর অসৎ কাজ থেকে চুড়ান্ত ফিরে আসার সিদ্ধান্তঃ নেওয়া। যে সমস্ত কার্যাবলি সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর তা চুড়ান্ত ভাবে পরিত্যগ করা।

 

৪. আদায়কৃত ফরজ কাজ সমূহ ও ওয়াজিব কাজ সমূহ আন্তরিকতার সহিত পালন করা হয়েছে কিনা চিন্তা করা। আন্তরিকতা রেখে ইবাদাত করার গুরুত্ব ইসলামে অনেক বেশি তাই এটা নিয়ে চিন্তা করা। সকল কাজ আন্তরিক ভাবে করতে হবে হোক সেটা কৃষি কাজ কিংবা ব্যাবসা,হোক সেটা চাকুরী কিংবা রাজনীতি,সমাজ সেবা।

এই পর্যায়ে আরেকটি কথা বলা যায় আদায় কৃত ফরজ এবং ওয়াজিবগুলো আন্তরিকতার সাথে পরিপূর্ণ ইসলামী শরীয়তের আলোকে পালন হয়েছে কিনা সে বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা। আমাদের সমাজে এমন অনেক কাজই হয় যে ক্ষেত্রে আন্তরিকতার অভাব থাকে না। অভাব থাকে ইসলামি শরীয়তের তথা ইসলামি আইন ও নীতিমালার পরিপূর্ণ অনুসরণের।

 

৫. আদর্শ প্রচার ও প্রতিষ্ঠায় সময় সামর্থ অনুসারে দেওয়া হয়েছে কিনা চিন্তা করা। মুসলিম হিসাবে আমাদের আদর্শ দ্বীন ইসলাম আমাদের চেতনায় ইসলামি সমাজ ব্যাবস্থা। আর সেসব কায়েমের জন্য আমাদের সময় ও সামর্থ ব্যায় করতে হবে। এটি সঠিকভাবে হলো কি না তা নিয়ে চিন্তা করা।

ইসলামি জীবনব্যবস্থা কায়েমের জন্য সঠিকভাবে চেষ্টা প্রচেষ্টা করা হচ্ছে কি না এ বিষয়গুলো নিয়ে গভীর চিন্তা করা।

 

৬. ব্যবহারিক জীবন সম্পর্কে চিন্তা করা। সারাদিনের কর্মব্যাস্ততায় যে সব কাজ করা হয়েছে তা নিয়ে চিন্তা করা।অর্থাৎ প্রথম পর্যায়ে যে আত্মসমালোচনা করার কথা বলেছি তা অনুযায়ী হয়েছে কি না এটা চিন্তা করা।

 

৭. আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা।

একটি আত্মসমালোচনা অনেক বিষয় সামনে এনেদেয়। কিছু ভুল ত্রুটি যা সংশোধনের জন্য আল্লাহর সাহায্য চাইতে হবে আর সৎ কাজ গুলো নিয়মিত যেন করতে পারি সেটাও সাহায্য কামনা করতে হবে।

(চলবে…….)

 

তরুন আলোচক ও দায়ী ইলাল্লাহ

এম আব্দুল মজিদ মারুফ

অধ্যয়নরত তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা