1. admin@dainiknabadiganterdak.com : admin :
  2. nabadiganterdak@gmail.com : Md Sabbir : Md Sabbir
বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শিক্ষা সেমিনার জুম প্লাটফর্মের শুভ উদ্ভোধন হরিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন পালন হরিপুরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে রাণীশংকৈলে আনন্দ র‍্যালী ও মিলাদ মাহ্ফিল পীরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উদযাপন প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের র‌্যালি,মিলাত ও দোয়া অনুষ্ঠিত মিথ্যা অভিযোগ করায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন – বেলাল উদ্দিন ঠাকুরগাঁওয়ের জঙ্গলে মিলল যুবকের গলাকাটা লাশ প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে কটূক্তি করায় ভুরুঙ্গামারীতে একজনকে থানায় সোপর্দ পঞ্চগড়ে বজ্রপাতে এক যুবকের মুত্যু, আহত ৪

জীবনে সফলতা আনার কৌশল (পর্ব-৬)

🖌️এম আব্দুল মজিদ মারুফ
  • সময় : শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৩৫ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আত্মসমালোচনার কার্যকরী পদ্ধতি তিনটি। আত্মসমালোচনার প্রাথমিক দুটি পদ্ধতি অর্থাৎ কাজ ভিত্তিক আত্মসমালোচনা এবং সার্বজনীন আত্মসমালোচনা সম্পর্কে আমরা জেনেছি। এ পর্বে আমি পেশাভিত্তিক আত্মসমালোচনা সম্পর্কে আলোচনা করব।

 

**পেশাভিত্তিক আত্মসমালোচনা

 

আমাদের এই সোনার দেশে নানান পেশার মানুষের ভীর। এখানে রয়েছে শ্রমজীবি মানুষ রয়েছে ব্যাবসায়ী তেমনি আছে চাকুরীজীবি আর আরেক ধরনের মানুষ রয়েছে যাদের পরিচয় হলো ছাত্র।

 

 

আমরা এই প্রধান প্রধান কয়েকটি শ্রনির মানুষের আত্মসমালোচনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানবো এই পর্বে।

 

**শ্রমজীবি মানুষের আত্মসমালোচনা

 

একজন শ্রমীক অবশ্যই কারো না কারো অধিনস্থ হয়ে শ্রম দেয়। একজন শ্রমিক শ্রম দেওয়ার ক্ষেত্রে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা’য়ালা পরে তার আরেকজন মালিক তৈরি হয়। সেই ব্যক্তি তার তাকওয়ার সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত হওয়ার জন্য আদর্শের সাথে উত্তমতার মাধ্যমে সর্বোত্তম পদ্ধতিতে শ্রম দেওয়ার চেষ্টা করবে।

 

শ্রমের ক্ষেত্রে অবশ্যই ইসলামী নীতি অনুসরণ হয় কিনা সে বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। ইসলামে শ্রমনীতি সম্বন্ধে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। ইসলামী শ্রমনীতির মধ্যে অনুসরণ অনুকরণ তাকে শ্রম দিতে হবে এবং সার্বজনীন আত্মসমালোচনার সময় এ বিষয়টি নিয়ে তাকে অবশ্যই ভাবতে হবে চিন্তা করতে হবে।

 

তার এই শ্রমে ইসলামি নীতি অনুসরণ হচ্ছে কিনা এটা ভাবতে হবে। আরো ভাবতে হবে সে এই শ্রমে ফাঁকি দিয়েছে কি না।

 

 

♦️ব্যবসায়ী মানুষের আত্মসমালোচনা

 

একজন ব্যবসায়ী বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা করতে পারেন বা করেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন নিশ্চই ব্যাবসায়ীরা আমার সাথে জান্নাতে থাকবে ( তবে এক্ষেত্রে ইসলামী নীতিতে ব্যাবসা করতে হবে)। তাহলে ব্যবসায়ীর মর্যাদা ইসলামে অনেক বেশি। তবে এ ব্যবসা হতে হবে ইসলাম নির্ধারিত পথ ও পন্থা অনুসারে।

 

এখানে কাউকে কম দেওয়া যাবে না, অপরকে ঠকানো যাবেনা, চড়া দামে বিক্রি করা যাবে না এটাই ইসলামী পদ্ধতি। সম্পদ জমিয়ে রাখার ক্ষেত্রে ইসলামী নীতি অনুসরণ প্রয়োজনীয়। একজন ব্যক্তি আত্মসমালোচনার ক্ষেত্রে অবশ্যই তার ব্যবসায়িক বিষয়গুলো চিন্তাভাবনা করতে হবে।

 

যদি সে ব্যবসায়ী হয় এটি তথা ব্যাবসা নিয়ে আত্মসমালোচনা হবে তার আত্মসমালোচনার অন্যতম একটি অংশ। কেননা এই মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে তার জীবন সংসার পরিচালনা করছে।

 

 

♦️চাকুরীজীবী মানুষের আত্মসমালোচনা

 

অন্যান্য শ্রেণীর এবং পেশাজীবী মানুষের মতো চাকরিজীবী মানুষের আত্মসমালোচনায় রয়েছে কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। চাকরিজীবী মানুষ যেমন কাজ ভিত্তিক আত্মসমালোচনা করবেন তেমনি আত্মসমালোচনা করবেন সার্বজনীন।

 

কিন্তু সার্বজনীন আত্মসমালোচনার ক্ষেত্রে তাকে অবশ্যই ভাবতে হবে সে যে চাকরি করছে এই চাকরিটা হালাল কিনা, চাকরির মধ্যে অবৈধ কার্যক্রম তার দ্বারা সংঘটিত হচ্ছে কিনা, আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের আনুগত্য থেকে ফিরিয়ে দিচ্ছে কিনা, এ ধরনের সকল বিষয়ে প্রতিদিন আত্মসমালোচনায় নিয়ে আসতে হবে।

 

♦️ছাত্রদের আত্মসমালোচনা

 

ছাত্রদের আত্মসমালোচনার ক্ষেত্রেও কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য এবং করণীয় রয়েছে। প্রতিটি পেশাজীবী মানুষ যেমন তার পেশার ক্ষেত্রে তাকওয়ার বিষয়ে চিন্তা করবে একজন ছাত্র তার তাকওয়ার সর্বোচ্চ বিষয় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করবে।

 

ছাত্রদের মৌলিক কাজ হলো জ্ঞান অর্জন করা।শিক্ষা লাভ করা আর সেই শিক্ষা হতে হবে আদর্শের শিক্ষা। আত্মসমালোচনার ক্ষেত্রে তাকে ভাবতে হবে তার জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্য কি? একজন ছাত্রের উদ্দেশ্য দুনিয়ায় সফলতা হওয়া উচিত নয় বরং তার উচিত হবে দুনিয়া এবং আখেরাতের সার্বজনীন সফলতা অর্জন করা।

 

সে ডাক্তার হতে পারে কিন্তু ডাক্তার হতে হবে মুসলিম ডাক্তার যেখানে ইসলামী আন্দোলনের কাজে আসবে। ইঞ্জিনিয়ার হতে চাইলে হতে হবে এমন ইঞ্জিনিয়ার যাতে ইসলামী সমাজ ব্যবস্থায় কাজে আসবে।

 

জ্ঞান-বিজ্ঞান অবদান রাখতে হলে হতে হবে ডঃ মরিস বুকাইলির মতো। হতে হবে এমন একজন সফল ব্যক্তি যেন তার ব্যক্তি জীবন গড়ে ওঠার সাথে সাথে ইসলাম নামক বিশাল প্রাসাদে ভূমিকা রাখতে পারে। তার কর্মকাণ্ডে তথা শিক্ষার মধ্যে এমন সৎ উদ্দেশ্য আছে কি না তার আত্মসমালোচনা তাকে করতে হবে।

 

তার দৈনন্দিন সময়ে অবহেলায় কেটে যাচ্ছে কিনা তার প্রতি তাকে আত্মসমালোচনা করতে হবে। সময় যথাযথ ব্যবহার করতে হবে যথাযথ ব্যবহারের ব্যাপারে আত্মসমালোচনা করতে হবে।

 

রাজনীতিবিদের আত্মসমালোচনা

 

বাংলাদেশ বর্তমান রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নেই এমন মানুষ খুব কম পাওয়া যাবে। তাই এ বিষয়টি এখানে উল্লেখযোগ্য বলে আমি মনে করলাম। রাজনীতি শুধু শুধু বাংলাদেশের মানুষের জন্য নয় বরং আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবীর সমস্ত মুসলিম উম্মার জন্য এটিকে দায়িত্ব এবং কর্তব্য হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।

 

তবে সে রাজনীতি আমাদের বর্তমান অসুস্থ ও অনৈতিক রাজনীতি নয়। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কে দুনিয়ায় প্রেরণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা বলেছেন আমি তোমাকে প্রেরণ করেছি অন্য সকল মতবাদ এর উপর ইসলামী জীবন ব্যবস্থা কে বিজয়ী করার জন্য।

 

অন্য সকল সমাজ ব্যবস্থার উপর ইসলামী সমাজ ব্যবস্থাকে উন্নত করার জন্য। অন্য সমস্ত মতবাদ এর উপর ইসলামী মতবাদকে বিজয়ী করার জন্য। অন্য সমস্ত রাষ্ট্রনীতি কে পিছনে ফেলে দিয়ে ইসলামী রাষ্ট্র নীতিকে সবার উপরে প্রতিষ্ঠা করার জন্য।

 

আর আল্লাহ তায়ালা বলেছেনঃ এই ধরনের কর্মপদ্ধতি এই ধরনের চেষ্টা-প্রচেষ্টা কাফির মুশরিকরা কখনোই সাপোর্ট করবে না তবুও ইসলাম প্রেমীদের এই পদ্ধতিতে রাজনীতি করতে হবে।

 

 

ইসলাম যেহেতু একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা এবং এতে রাজনীতির সুনির্দিষ্ট আলোচনা রয়েছে কাজেই একজন রাজনীতিবিদ কে এ বিষয়ে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে এবং আত্মসমালোচনা এ বিষয়টি নিয়ে আসতে হবে যে তার রাজনীতি কুরআন ভিত্তিক রাজনীতি হচ্ছে কিনা, তার রাজনৈতিক কর্মকৌশল ইসলামী কর্মকৌশলের আলোকে হচ্ছে কিনা।

 

ইসলাম যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে রাজনীতি করছে তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সে উদ্দেশ্যের সাথে মিলছে কিনা যদি সেটা মিলে আলহামদুলিল্লাহ আর যদি না মিলে তাহলে একজন মুসলিম রাজনীতিবিদ হিসেবে তাকে অবশ্যই সেই রাজনীতি পরিত্যাগ করে ইসলামের আলোকে উত্তম রাজনীতি করার জন্য নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে হবে এবং সে শপথ সে আত্মসমালোচনা থেকে গ্রহণ করতে হবে।

 

বুদ্ধিজীবীর আত্মসমালোচনা

 

বর্তমানে বাংলাদেশে বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর বিস্তার ঘটছে। অনেকেই এই বুদ্ধি দিয়ে নিজের জীবনকে অতিবাহিত করছে অর্থাৎ তার জীবিকা নির্বাহ করছে। কিন্তু আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা’আলা আমাদের এই মেধা এবং প্রজ্ঞা বুদ্ধি যে কাজে ব্যবহার করতে বলেছেন সে কাজে কতজনই বা ব্যবহার করছে।

 

বুদ্ধি এটি সব মানুষকেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা দিয়েছেন এমনকি ছোট্ট একটি পাখি বা মুরগি তারও কিন্তু এই বুদ্ধি রয়েছে।

 

সে তার বুদ্ধির কারণেই যখনই কোনো চিল তার মাথার উপর আসে সাথে সাথে সে তার ছোট বাচ্চাদেরকে তার কোলের মধ্যে নিয়ে নেয়, তার ডানার মধ্যে লুকিয়ে রাখে আর ছোট বাচ্চারাও বুদ্ধিমান তারাও তাড়াতাড়ি দৌড়ায় তার মায়ের কাছে চলে আসে।

 

আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা’য়ালা সকলকেই যে বুদ্ধি দিয়েছেন এ বুদ্ধি সকলেই কাজে লাগায়। কিন্তু এই বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে থেকে তারাই সফল যারা এই বুদ্ধিকে নিজেদের আদর্শ স্থাপন অর্থাৎ ইসলামী জীবন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজে লাগিয়েছেতারাইতো সফলতা অর্জন করেছে।

 

যারা ইসলামী জীবন ব্যবস্থার জন্য নিজের বুদ্ধিকে কাজে লাগায় এরা সকলেই এমন সফলতা অর্জন করেছে এই সফলতা দুনিয়া এবং আখেরাতে উভয় জাহানের জন্য।

 

 

আখেরাতের চিন্তা নিয়ে যে বুদ্ধিজীবী নিজের বুদ্ধি এবং মেধা কে কাজে লাগায় সেইতো সফল বুদ্ধিজীবী। প্রচুর দুঃখ আফসোস এবং পরিতাপের বিষয় হলো আমাদের সমাজের অধিকাংশ বুদ্ধিজীবী এখন নাস্তিক। অথচ আল্লাহতালা এই বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে তার অস্তিত্বের প্রমাণ করতে বলেছেন তার নিদর্শনসমূহ নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করতে বলেছেন।

 

এজন্য সকল চিন্তাশীল বুদ্ধিজীবী মানুষের মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্য হবে তার চিন্তা চেতনা বুদ্ধি মেধা প্রজ্ঞা দিয়ে ইসলামের পথে কাজে লাগানো ইসলামকে বিজয়ী শক্তিতে রূপান্তর করার চেষ্টা করা। একজন বুদ্ধিজীবী সফলতার জন্য যখন এই চেষ্টা করবেন তখনই তাকে এই পদ্ধতি অবলম্বন করে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে

 

অর্থাৎ আত্মসমালোচনার সময়টাকে ভাবতে হবে তার সারাদিনের বুদ্ধির কাজগুলো করেছে তার এই কাজ সমূহ ইসলামের পক্ষে কাজে লেগেছে নাকি ইসলামের বিপক্ষে কাজে লেগেছে।

 

ইসলামের মধ্যে বুদ্ধি কাজে লাগানোই যে প্রকৃত সফলতা অর্থাৎ ইসলামের প্রকৃত সফলতা এ বিষয়ে বহু নিদর্শন রয়েছে যা বলার অপেক্ষা রাখে না।

 

নেতা-কর্মীর আত্মসমালোচনা

 

বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ এখানে রয়েছে সকলের ব্যক্তিগত অধিকার। এই অধিকার এর ফলে এখানে জন্ম নিয়েছে বহু দল বহু মত এবং বহু রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

 

সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে অর্থাৎ রাজনীতিবিদদের আত্মসমালোচনার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় আমি পূর্বেই উল্লেখ করেছি তবে এ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের অধীনস্থ কর্মীদের ব্যাপারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আত্মসমালোচনার বিষয় রয়েছে যা না জানার কারনে আজ রাজনীতি অপরাজনীতি।

 

 

যার ফলে সমাজে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে যাচ্ছে অন্যায় অশ্লীলতা, চলছে চোরাচালানী, কালোবাজারি, হচ্ছে মানব খুন, চলছে সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা, চলছে লুণ্ঠন, আজ মানুষ তার মনুষ্যত্ব হারিয়ে ফেলছে, মানবতা আজ লাঞ্ছিত হচ্ছে। একজন রাজনীতিবিদের উদ্দেশ্য হবে সত্য ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা করা ঠিক তদ্রুপ প্রতিটি কর্মীর চিন্তা-চেতনায় থাকবে ইসলামী অনুশাসন মেনে চলা।

 

 

প্রতি  জন রাজনৈতিক কর্মী আত্মসমালোচনার সময়ে বিষয়ে অনুধাবনের চেষ্টা করবেন যে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অর্থাৎ নেতৃবৃন্দ আনুগত্যের ক্ষেত্রে ইসলাম পরিপূর্ণ অনুষ্ঠান হয়েছে কিনা কোন ক্ষেত্রে ইসলাম অবমাননার যদি হয়ে থাকে তার তখনই তওবা-ইস্তেগফার করতে হবে।

 

প্রতি জন কর্মীকে মনে রাখতে হবে নেতার আনুগত্য হবে ততক্ষণ নেতা ইসলামী অনুশাসন মেনে চলবে যতক্ষণ। নেতা আলেম ওস্তাদ পীর-মাশায়েখ ও বুজুর্গ ইসলাম বিরোধী কোনো কার্যকলাপ করলে সাথে সাথে তাকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে এটাই একজন মুসলমানের ঈমানী দাবি। আর মুসলমান যখন ঈমান নিয়ে চলতে পারে তখনই সে সফলতা অর্জন করতে পারে।

 

 

তাই এ বিষয়ে আত্মসমালোচনা করতে হবে।

(চলবে…….)

 

 

তরুন আলোচক ও দায়ী ইলাল্লাহ

এম আব্দুল মজিদ মারুফ

অধ্যয়নরত তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা