1. admin@dainiknabadiganterdak.com : admin :
  2. nabadiganterdak@gmail.com : Md Sabbir : Md Sabbir
বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শিক্ষা সেমিনার জুম প্লাটফর্মের শুভ উদ্ভোধন হরিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন পালন হরিপুরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে রাণীশংকৈলে আনন্দ র‍্যালী ও মিলাদ মাহ্ফিল পীরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উদযাপন প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের র‌্যালি,মিলাত ও দোয়া অনুষ্ঠিত মিথ্যা অভিযোগ করায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন – বেলাল উদ্দিন ঠাকুরগাঁওয়ের জঙ্গলে মিলল যুবকের গলাকাটা লাশ প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে কটূক্তি করায় ভুরুঙ্গামারীতে একজনকে থানায় সোপর্দ পঞ্চগড়ে বজ্রপাতে এক যুবকের মুত্যু, আহত ৪

ভারসাম্যপূর্ণ মু’মিন জীবন  গঠনে ইলম ও আমল★ ( পর্ব -১)

লেখিকা সুলতানা তাছলিমা রুপালি (চট্টগ্রাম)
  • সময় : শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৩২২ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 ▪️রাসুল (সাঃ)বলেন – যে ব্যক্তি জ্ঞান অন্বেষণের উদ্দেশ্যে কিছু পথ অতিক্রম করে, আল্লাহ তার বিনিময়ে তার জান্নাতের পথ সুগম করে দেন।▪️ সুতরাং সঠিক ইলম বা জ্ঞান যেমন একদিকে আমাদের আমলকে পরিপূর্ণতা পৌঁছাবে, ঠিক সাথে  সাথে মুমিন হিসেবেও আল্লাহর কবুলিয়াতের দিকে নিয়ে যাবে এবং জান্নাতের পথও সুগম করবে ইনশাআল্লাহ।
** আল্লাহ আমাকে যে হেদায়াত ও ইলম দান করে পাঠিয়েছেন তার দৃষ্টান্ত হলো সেই মুষল ধারার বর্ষের মতো যার ভুমিতে পড়ে অতঃপর সেই ভূমির একটা পরিচ্ছন্ন অংশ পানি শোষণ করে নেয়। অতঃপর  সেখানে প্রচুর ঘাস ও লতা গুল্ম জন্মায়।সেই ভুমির  অপর একটি অংশ উদ্ভিদ অঙ্কনের উপযোগী তবে তা পানি ধরে রাখে। আল্লাহ সেই পানি দ্বারা মানুষের উপকার করেন। মানুষ সে পানি পান করে, অন্যদেরকেও পানি পান করায় এবং তা কৃষি কাজে লাগায়। সেই ভুমির আরেকটি অংশ হলো প্রস্তরময় প্রান্তর ও পাহাড়- পর্বত, যা পানি ধরে রাখে না এবং সেখানে উদ্ভিদ ও গজায় না।
– প্রথম ব্যক্তির দৃষ্টান্ত এই যে,  আল্লাহর দ্বীন সে ভালোমতো বুঝেছে এবং আল্লাহ আমাকে যা দিয়ে পাঠিয়েছেন তা তার উপকারে এসেছে। তা সে নিজে শিখেছে এবং অন্যকে ও শিখিয়েছে।
–  দ্বিতীয় ব্যক্তির দৃষ্টান্ত এই যে ইলম ও হেদায়াত আসার পর ও সে মূর্খতা থেকে মাথা উঁচু করে তাকায়নি এবং আল্লাহর হিদায়াত, যা সহকারে আমাকে পাঠানো হয়েছে তা কবুলও করেনি।
” হযরত আবু মূসা আশ’আরী (রা) থেকে বর্ণিত রাসুল সাঃ বলেন- ইলম  আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ এক নেয়ামত, রহমত বিশেষ।
রাসুল সাঃ বলেছেন – ” আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের ব্যুৎপত্তি ও গভীর জ্ঞান দান করেন।
জ্ঞান মানুষকে সত্যের পথ দেখায়, কল্যাণের দিকে ধাবিত করে, ক্ষতিকে দূরীভূত করে।
জ্ঞানী ব্যক্তির সম্মান,  মর্যাদা ও আল্লাহর কাছে অনেক বেশি।
” আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেন – তোমাদের মধ্যে যারা ঈমানদার এবং যাদেরকে জ্ঞান দা ন করা হয়েছে আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে সুউচ্চ মর্যাদা দান করেছেন।” ( সুরা মুজাদালার ঃ১১)
সেই সাথে রাসুল সাঃ বলেছেন – ” প্রত্যেক মুসলিম নর- নারীর উপর ইলম তথা জ্ঞান অর্জন করা ফরজ।”
সুতরাং জ্ঞানার্জন থেকে পিছিনে৷ থাকার কোন সুযোগ নাই। আর জ্ঞানই আমলকে সমৃদ্ধ করবে, পরিপূর্ণ করবে। হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রঃ) বলেন – ” ইলম তথা জ্ঞান হলো আমলের ইমাম,  আর আমল তার অনুসারী।”
 তাই আমল তথা কর্মের জন্য ইলম তথা জ্ঞান অত্যাবশ্যক।
★ উমর ইবনে আব্দুল আযিয র. বলেন, যে ব্যক্তি জ্ঞান তথা ইলম ছাড়া কাজ করে সে যতটুকু ঠিক করে তার চেয়ে বেশি নষ্ট করে। “
** রাসুল সাঃ এর উপর প্রথম নাযিলকৃত আয়াত ছিল- ইকরা’ অর্থাৎ পড়।  সুতরাং জ্ঞানার্জন ছাড়া না আমাদের আমল সহীহ্ হবে,  না আমরা কল্যাণ পাবো, আর না আমরা ভারসাম্য মু’মিন জীবন গঠন করতে পারবো।
* ইলম তথা জ্ঞান কী?
=  ইলম শব্দের অর্থ আভিধানিক অর্থ জ্ঞান।
ইসলামিক পরিভাষায় ইলম হলো ওহীর মাধ্যমে প্রাপ্ত জ্ঞান।
* ইলম অর্জন করা ফরজ করা হয়েছে, যিনি এই পৃথিবীসহ সকল প্রাণী সৃষ্টি করেছেন,  তিনিই একমাত্র সকল জ্ঞানের উৎস। মানুষ ছাড়া আর কোন প্রাণীর আনুষ্ঠানিক শিক্ষার প্রয়োজন হয় না। আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টিগতভাবই তাদেরকে যার যার প্রয়োজনীয় জ্ঞান দান করেছেন। মানব সন্তান কোন রকম জ্ঞান ছাড়া জন্মগ্রহন করে। তবে আল্লাহ তার মধ্যে জ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা এবং আপনাকে জানার আগ্রহ দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। তিনি তার মধ্যে জানার জন্য সব উপায় উপকরনও সৃষ্টি করে দিয়েছেন।
** আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেন – এবং আল্লাহ তোমাদেরকে নির্গত করেছেন তোমাদের মাতৃগর্ভ হতে এবং এ অবস্থায় যে, তোমরা কিছু জানতে না। তিনি তোমাদের দিয়েছেন শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি, এবং হ্দয় যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।*
এই উপকরণগুলো কাজে লাগিয়ে মানুষ পার্থিব জ্ঞান ও ধর্মীয় জ্ঞান তথা ইলম অর্জন করে।
* আল্লাহর নিয়ম এটায় তিনি বৃষ্টির মতো জ্ঞানকে মানুষের উপর বর্ষণ করবেন না বরং ইলম তথা জ্ঞান অর্জনের জন্য মানুষকে চেষ্টা ও সাধনা করতে হবে।
* রাসুল সাঃ বলেছেন – ” ওহে জনমন্ডলী! তোমরা জ্ঞানার্জন করো।
শোনার মাধ্যমে জ্ঞান লাব করা যায়,  গভীর জ্ঞান লাভ করা যায় চিন্তা – অনুধাবনের মাধ্যমে।।
সুতরাং জ্ঞান থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা কোন মু’মিন বা মুসলমানের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।।
* রাসুল সাঃ আরো বলেছেন – ” তুমি আলেম হও অথবা শিক্ষার্থী   হও অথবা শ্রোতা অথবা প্রেমিক, পঞ্চম হয়ো না,  তাহলে ধ্বংস হয়ে যাবে।”
অর্থাৎ মানুষকে সচেতনভাবে এবং ইচ্ছাশক্তি প্রয়োগ করেই আল্লাহর দেয়া উপকরণ ও নেয়ামতকে কাজে লাগিয়ে ইলম অর্জন করতে হবে। আর আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে মানুষকে নিজেকে এবং এই পৃথিবীকে কিভাবে পরিচালনা করবে, কোন গুণাবলি কিভাবে অর্জন করবে,  কোন বিধান কিভাবে বাস্তবায়ন করবে – যাবতীয় জ্ঞান রাসুল সাঃ এর নিকট ওহীর মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন।
তাই আল্লাহর নাযিলকৃত কুরআন ও রাসুলের হাদিসই পারে।
আমাদের সঠিক ও পরিপূর্ণ ইলম তথা জ্ঞান অর্জনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম।
✍️পরবর্তী প্রকাশিত হবে – ভারসাম্যপূর্ণ মুমিন জীবন গঠনে ইলম ও আমলের দ্বিতীয় পর্ব ✍️
সে পর্যন্ত জাযাকাল্লাহু খাইর।
✍️লেখিকা সুলতানা তাছলিমা রুপালি (চট্টগ্রাম) ✍️
অধ্যয়ণরত ইন্টারনাশন্যাল ইউনিভার্সিটি।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা