1. admin@dainiknabadiganterdak.com : admin :
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০৬:০৮ অপরাহ্ন

মহামারী করোনার পাশাপাশি নতুন আতঙ্ক হিসেবে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি

সিনিয়র রিপোর্টার
  • সময় : সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১
  • ৮১ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মহামারী করোনার সংক্রমণে নাস্তানাবুদ পুরো দেশ। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। এরই মধ্যে নতুন আতঙ্ক হিসেবে দেখা দিয়েছে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব।

 

গত এক সপ্তাহ ধরেই বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সরকারি হিসাবে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ জন।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে বর্তমানে ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন ১৭৮ জন।

 

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বেড়েছে মশার উপদ্রবও। যদিও মশক নিয়ন্ত্রণে কাজ করা দুই সিটি করপোরেশন দাবি করছে, মশক নিয়ন্ত্রণে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখছেন।

 

করোনাপূর্ববর্তী বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে আলোচিত-সমালোচিত বিষয় ছিল ডেঙ্গু। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবে এক লাখেরও বেশি। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৪৮ জন।

 

যদিও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের কাছ থেকে আড়াইশর বেশি মানুষের এই রোগে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মৌসুমে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এত রোগী কখনই হাসপাতালে ভর্তি হয়নি।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের তথ্যমতে, ২০১৮ সালে দেশে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ১৪৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত ১৯ বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট রোগী ৫০ হাজার ১৭৬ জন।

 

২০০০ সালে দেশে প্রথম ব্যাপকভাবে ডেঙ্গু রোগী দেখা যায়। সেই সময় ৫ হাজার ৫১১ রোগী ভর্তি হয়েছিল, আর মারা যান ৯৩ জন। ওই বছরই রোগটি প্রথম ভয়াবহ আকার নেয়। এর পর ধারাবাহিকভাবে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ও এতে মৃত্যু কমে আসে।

 

২০০৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বছরে আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজারের নিচে থাকে, মৃতের সংখ্যাও ছিল খুব কম। ২০১৬ সালে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছয় হাজার ছাড়ালেও পরের বছর আবার কমে যায়। এর পর আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে ২০১৮ সালে, ১০ হাজার ১৪৮ জন আক্রান্ত হয়ে মারা যান ২৬ জন।

 

আর গত বছরে প্রাদুর্ভাব বেড়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা নতুন নতুন রেকর্ডের জন্ম দেয়। ২০০০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মোট ৫০ হাজার ১৪৮ জনের ডেঙ্গুর চিকিৎসা নেওয়ার তথ্য নথিভুক্ত রয়েছে সরকারের খাতায়। সেখানে গত বছরের আগস্টেই আক্রান্ত হয়েছে ৫২ হাজার ৬৩৬ জন।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৩২ জন, ফেব্রুয়ারি মাসে ৯, মার্চে ১৩, এপ্রিলে ৩, মে মাসে ৪৩, জুনে ২৭১ এবং চলতি মাসে গতকাল পর্যন্ত ৩৫৫ জন।


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা