1. admin@dainiknabadiganterdak.com : admin :
  2. nabadiganterdak@gmail.com : Md Sabbir : Md Sabbir
বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শিক্ষা সেমিনার জুম প্লাটফর্মের শুভ উদ্ভোধন হরিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন পালন হরিপুরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে রাণীশংকৈলে আনন্দ র‍্যালী ও মিলাদ মাহ্ফিল পীরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উদযাপন প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের র‌্যালি,মিলাত ও দোয়া অনুষ্ঠিত মিথ্যা অভিযোগ করায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন – বেলাল উদ্দিন ঠাকুরগাঁওয়ের জঙ্গলে মিলল যুবকের গলাকাটা লাশ প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে কটূক্তি করায় ভুরুঙ্গামারীতে একজনকে থানায় সোপর্দ পঞ্চগড়ে বজ্রপাতে এক যুবকের মুত্যু, আহত ৪

‎মেয়েদের মুখ ঢাকা কি আসলেই জরুরী?

🖌️রেজওয়ানুল হক
  • সময় : শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১
  • ৬৮ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

وكان يراني قبل الحجاب

 

“তিনি আমাকে পর্দার বিধান নাযিল হওয়ার আগে দেখেছিলেন” – সহিহ বুখারী

 

ইফকের ঘটনা বলতে গিয়ে আয়েশা (রা) এ কথাটি বলেছিলেন। যখন কাফেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তিনি গাছের নীচে ঘুমিয়ে পড়লেন, সফওয়ান (রা) তাকে দেখে চিনে ফেলেছিলেন।

 

তিনি আয়েশা (রা) কে কীভাবে চিনলেন? অথচ একজন গাইরে মাহরাম পুরুষের তো কোন মহিলাকে দেখে চিনার কথা না! শ্রোতাদের মনে এ প্রশ্ন উদয় হতে পারে। এজন্য আয়েশা (রা) সেটা স্পষ্ট করে দিলেন, পর্দার বিধান নাযিল হওয়ার আগে আয়েশা (রা) কে তিনি দেখেছিলেন। তাই চিনতে পেরেছেন।

 

পর্দার বিধান নাযিলের আগে এবং পরে, চেহারা যদি পর্দার ভেতর না থেকে থাকে, বরং রাসুলের যুগে মুখ খোলা রাখাটাই যদি সাধারণ প্র্যাকটিস হয়ে থাকে, আয়েশা রা এর এই বক্তব্যের কী অর্থ দাঁড় করাবেন আপনি? যদি চেহারা পর্দার মধ্যে না হয়, তাহলে আয়িশা (রা) তো সাধারনভাবে বলে দিতেন, চেহারা দেখে চিনেছে। এত ক্ল্যারিফিকেশনের কী প্রয়োজন ছিল?

 

জায়েজ নাজায়েজ দিয়ে বিবেচনা না করে, হিজাব সেভাবেই করুন, যেভাবে রাসুলের যুগে স্ত্রীরা করেছেন। আপনি এরকম একটি হাদিসও দেখাতে পারবেন না, যেখানে রাসুলের স্ত্রী কন্যারা গাইরে মাহরামের সামনে নিজের ফেইস খোলা রেখে কথা বলেছেন। নাবালেগ অবস্থায় আয়িশা (রা) খেলা দেখার এমন কিছু হাদিস হয়তো পেশ করতে পারবেন বড়জোর, যেখানে তার বয়স ও উক্ত ঘটনা পর্দার বিধান নাযিলের পরে হওয়ার কোন সুনিশ্চিত প্রমান নেই। উল্টো রাসুলের সবচেয়ে প্রিয় মেয়ে ফাতিমা রা ব্যপারে জানা যায়, মৃত্যুর পরও নিজেকে ঢেকে রাখার ব্যাপারে এতটা যত্নবান ছিলেন, অসিয়ত করে গিয়েছিলেন যেন তাকে রাতের অন্ধকারে দাফন করা হয়। মিলিয়ে দেখুন, তাদের হিজাবের সাথে আপনার হিজাব, তাদের নিয়তের সাথে আপনার নিয়ত।

 

আপনি যেই পরিবেশের মানুষ, সেখানে পর্দা করা হয়তো আপনার কাছে অসম্ভবের কাছাকাছি। সেটার জন্য আপনার করনীয়, পরিবেশকে পাল্টানো, ইসলামকে কাস্টোমাইয করা নয়। ফ্লেক্সিবিলিটি খোজা নয়। সমগ্র মুসলিম উম্মাহর সমস্ত আলেমগন একমত, মুখ ঢাকা এবং না ঢাকার মধ্যে উত্তম, মুখ ঢাকা। আপনি সেই উত্তমকে ছেড়ে দিচ্ছেন কেন? আপনার দুনিয়া / চাকরি / কাজকর্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে? এই জবাব কিয়ামতের দিন ধোপে টিকবে।?

 

এই দুনিয়া আমাদের আবাস নয়। এখানকার দুঃখ কষ্টও চিরস্থায়ী নয়। যে আল্লাহর জন্য কিছু ছাড়ে, আল্লাহ তাকে তার ছেড়ে দেয়া বস্তুর চেয়ে অনেক উত্তম কিছু মেলান। যে আল্লাহর জন্য কঠিন পথ বেছে নেয়, সেই পথ কোনদিনও ক ঠিন থাকে না, থাকতে পারে না। এটা আমার রবের আত্মমর্যাদা ও শানের খেলাফ। সাহায্য আসবেই, যদি আপনি হতাশ হয়ে না পড়েন…


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা